কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি ।।
নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লা অঞ্চলকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ করতে হবে। এ জন্য ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যা অচিরেই একনেকে তোলা হবে। প্রধানমন্ত্রীও অবগত, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ হবেই।
তিনি বলেন, ২০০৩ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় নদীভাঙা মানুষের দুঃখ বুঝে ২৩ ভেন্টের এ রেগুলেটর নির্মাণ করেন। কিন্তু ভারতের উজানের ঢল ও ভয়াবহ বন্যায় গত ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ প্রকল্প নিয়ে আন্তরিক।
১০ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের আমন্ত্রণে মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী। এ সময় বন-পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের দুঃখ বোঝেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণের বিষয়ে অবগত আছেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনারের বক্তব্য রাখেন, বন-পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পূর্ব রিজিয়ন) অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর ছিদ্দিক, ফেনীর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাছান মাহমুদ, নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম রিফাত জামিল উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নোয়াখালী-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দিনের মধ্যভাগে বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং বন-পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌর বাস টার্মিনালে স্বাগত জানান ।
